- Back to Home »
- ওডেক্স টিপস্ »
- ওডেস্ক মার্কেটপ্লেসে কাজ করবেন যেভাবে
Posted by : Pradip
Monday, May 19, 2014
বিশ্বের অন্যতম সেরা ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস ওডেস্ক ডট কম
(oDesk.com)। এখানে যে কেউ বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশন করে কাজ করতে পারেন।
তবে কোনো কাজ করে যে টাকা পাবেন তার ১০ ভাগ টাকা ওডেস্ক চার্জ হিসেবে কেটে
রেখে দেবে। যেমন- যদি ১০০ ডলারের কাজ করেন তাহলে আপনি পাবেন ৯০ ডলার।
ওডেস্কে কাজ করার আগে যা যা করবেন- প্রথমেই রেজিস্ট্রেশন করে একটি পোর্টফোলিও তৈরি করবেন। প্রোফাইল অংশে আপনার সব তথ্য সঠিকভাবে দিন। রেডিনেস টেস্ট দিয়ে পাস করুন। এতে করে আপনার প্রোফাইল ১০০ ভাগ হবে। যা কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে আপনার কাজে লাগবে।
প্রোফাইল ১০০ ভাগ পরিপূর্ণ হলে আপনি ২/১ টা স্কিলড টেস্ট দেবেন। যেমন আপনি যদি ওয়েব ডিজাইনের কাজ করতে চান তাহলে এইচটিএমএল, সিএসএস, এডোবি ফটোশপ ইত্যাদি টেস্ট দেবেন। ওডেস্কে প্রায় ৫০০ রিলেটেড স্কিলড টেস্ট রয়েছে। স্কিলড টেস্ট দিলে কাজ পাবার ক্ষেত্রে সহায়ক হয়।
স্কিলড টেস্ট দেয়া হলে এবং যদি প্রোফাইল ১০০ ভাগ পূর্ণ হয় তাহলে আপনি কাজের জন্য বিড করা শুরু করতে পারেন। বিড মানে হলো যে জবগুলো পোস্ট হবে সেগুলো পড়ে যদি মনে হয় আপনি পারবেন তাহলে সেটাতে আবেদন করা।
বিড করার সময় আবেদনে যা লিখবেন সেটাকে বলা হয় কভার লেটার। সাধারণত কভার লেটারের লেখা দিয়েই বায়ারকে অর্থাৎ যে আপনাকে কাজ দেবে তাকে মুগ্ধ করতে হয়। কারণ কভার লেটার ভালো হলেই সে আপনার প্রোফাইল দেখবে। সুতরাং কভার লেটার সুন্দর করে লিখতে হয়।
এক্ষেত্রে কার্যকরী টিপস হলো, কভার লেটারটা হবে এরকম- আপনি বায়ারের জব ডেসক্রিপশন ভালোভাবে পড়েছেন। এবং পড়ে মনে হয়েছে আপনি-ই এই কাজের জন্য উপযোগী। অতীতে এ ধরণের কাজ করেছেন। সুতরাং আপনি খুব সহজেই এটা করতে পারবেন।
এসবই সংক্ষেপে পয়েন্ট পয়েন্ট করে লিখবেন। দেখবেন আপনাকে ইন্টারভিউতে ডেকেছে। এবং কাজও পেয়ে গেছেন। অনেকে ইন্টারভিউ শুনলেই ভয় পেয়ে যান।
ইন্টারভিউতে ভয় পাওয়ার কিছুই নেই। ইন্টারভিউর অর্থ হলো- বায়ার আপনার কাছে জানতে চাইবে আপনি এই কাজ আগেও করেছেন কিনা? কখন শুরু করতে পারবেন? কত সময় লাগবে ইত্যাদি। স্মার্টভাবে প্রশ্নগুলোর জবাব দেবেন। অতিরিক্ত কোনো কথা বলবেন না। বায়ারকে ’স্যার’ না বলাই শ্রেয়। মি. এক্স/ওয়াই বলুন। এতে বায়ার খুশি হয়।
লক্ষ্যণীয়, আপনি যে কাজ জানেন সেই কাজ করতে যাওয়াই ভালো। কাজ না জেনে অযথা কোনো কাজে বিড করতে যাবেন না। কারন এতে করে আপনি যদি কাজটি পেয়ে যান তাহলে কাজটি শেষ করতে না পারার কারণে আপনি টাকা এবং ফিডব্যাক কোনোটাই পাবেন না। আর যদি ফিডব্যাক পানও সেটা হবে নেগেটিভ। যাতে করে আপনার ভবিষ্যতে কাজ না পাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকে।
আর সবচেয়ে বড় কথা হলো- এতে করে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়।
ওডেস্কে কাজ করার আগে যা যা করবেন- প্রথমেই রেজিস্ট্রেশন করে একটি পোর্টফোলিও তৈরি করবেন। প্রোফাইল অংশে আপনার সব তথ্য সঠিকভাবে দিন। রেডিনেস টেস্ট দিয়ে পাস করুন। এতে করে আপনার প্রোফাইল ১০০ ভাগ হবে। যা কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে আপনার কাজে লাগবে।
প্রোফাইল ১০০ ভাগ পরিপূর্ণ হলে আপনি ২/১ টা স্কিলড টেস্ট দেবেন। যেমন আপনি যদি ওয়েব ডিজাইনের কাজ করতে চান তাহলে এইচটিএমএল, সিএসএস, এডোবি ফটোশপ ইত্যাদি টেস্ট দেবেন। ওডেস্কে প্রায় ৫০০ রিলেটেড স্কিলড টেস্ট রয়েছে। স্কিলড টেস্ট দিলে কাজ পাবার ক্ষেত্রে সহায়ক হয়।
স্কিলড টেস্ট দেয়া হলে এবং যদি প্রোফাইল ১০০ ভাগ পূর্ণ হয় তাহলে আপনি কাজের জন্য বিড করা শুরু করতে পারেন। বিড মানে হলো যে জবগুলো পোস্ট হবে সেগুলো পড়ে যদি মনে হয় আপনি পারবেন তাহলে সেটাতে আবেদন করা।
বিড করার সময় আবেদনে যা লিখবেন সেটাকে বলা হয় কভার লেটার। সাধারণত কভার লেটারের লেখা দিয়েই বায়ারকে অর্থাৎ যে আপনাকে কাজ দেবে তাকে মুগ্ধ করতে হয়। কারণ কভার লেটার ভালো হলেই সে আপনার প্রোফাইল দেখবে। সুতরাং কভার লেটার সুন্দর করে লিখতে হয়।
এক্ষেত্রে কার্যকরী টিপস হলো, কভার লেটারটা হবে এরকম- আপনি বায়ারের জব ডেসক্রিপশন ভালোভাবে পড়েছেন। এবং পড়ে মনে হয়েছে আপনি-ই এই কাজের জন্য উপযোগী। অতীতে এ ধরণের কাজ করেছেন। সুতরাং আপনি খুব সহজেই এটা করতে পারবেন।
এসবই সংক্ষেপে পয়েন্ট পয়েন্ট করে লিখবেন। দেখবেন আপনাকে ইন্টারভিউতে ডেকেছে। এবং কাজও পেয়ে গেছেন। অনেকে ইন্টারভিউ শুনলেই ভয় পেয়ে যান।
ইন্টারভিউতে ভয় পাওয়ার কিছুই নেই। ইন্টারভিউর অর্থ হলো- বায়ার আপনার কাছে জানতে চাইবে আপনি এই কাজ আগেও করেছেন কিনা? কখন শুরু করতে পারবেন? কত সময় লাগবে ইত্যাদি। স্মার্টভাবে প্রশ্নগুলোর জবাব দেবেন। অতিরিক্ত কোনো কথা বলবেন না। বায়ারকে ’স্যার’ না বলাই শ্রেয়। মি. এক্স/ওয়াই বলুন। এতে বায়ার খুশি হয়।
লক্ষ্যণীয়, আপনি যে কাজ জানেন সেই কাজ করতে যাওয়াই ভালো। কাজ না জেনে অযথা কোনো কাজে বিড করতে যাবেন না। কারন এতে করে আপনি যদি কাজটি পেয়ে যান তাহলে কাজটি শেষ করতে না পারার কারণে আপনি টাকা এবং ফিডব্যাক কোনোটাই পাবেন না। আর যদি ফিডব্যাক পানও সেটা হবে নেগেটিভ। যাতে করে আপনার ভবিষ্যতে কাজ না পাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকে।
আর সবচেয়ে বড় কথা হলো- এতে করে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়।